Posts

Showing posts from January, 2026

CRP Tribunal কী?

  নিচে বাংলাদেশে শিশু ধর্ষণ মামলার দ্রুত বিচারের 📌 ১. “Child Rape Prevention Tribunal” কি? বাংলাদেশে বর্তমানে “Child Rape Prevention Tribunal” নামে নিজস্ব কোনো পৃথক আইনগত ট্রাইবুনাল সিস্টেম আবারো পর্যন্ত স্থায়ীভাবে চালু হয়নি , কিন্তু সরকার শিশু ধর্ষণ মামলার দ্রুত বিচারের জন্য প্রস্তাবিত একটি বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ট্রাইবুনালগুলো মূলত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ -এর (Women and Children Repression Prevention Act-2000) সংশোধনী হিসেবে আইনভুক্ত হবে। 📌 ২. আইনের নাম ও সংশোধন 📌 আইন নাম: ➡️ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (Women and Children Repression Prevention Act, 2000) 📌 সংশোধন: ➡️ ২০২৫ সালে এই আইন সংশোধন করে শিশু ধর্ষণ মামলা দ্রুত এবং বিশেষভাবে বিচার লাভের জন্য ট্রাইবুনাল গঠনের বিধান অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। এই সংশোধনী অনুমোদন পেলে গেজেট প্রকাশের পর এটি কার্যকর হবে। 📌 ৩. আইনের মূল ধারাগুলি (ধারণা ও সীলমোহর) 🔹 ধর্ষণ ও শাস্তি – ধারা ৯(১) আইনের ধারা ৯(১) অনুযায়ী— 👉 যদি কেউ কোনো নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করে, তাকে মৃত্যু...

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল (ICT): ইতিহাস, কার্যক্রম ও বাস্তবতা

  বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল (ICT): ইতিহাস, কার্যক্রম ও বাস্তবতা ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ একটি গৌরবময় অধ্যায়। কিন্তু এই যুদ্ধের সময় সংঘটিত গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, ধর্ষণ ও লুটপাটের মতো ভয়াবহ অপরাধগুলোর বিচার দীর্ঘদিন ধরে অসম্পূর্ণ ছিল। স্বাধীনতার পরপরই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে আলোচনা হলেও নানা রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতায় সেই বিচার কার্যকরভাবে এগোয়নি। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল (International Crimes Tribunal – ICT) গঠন করে, যার লক্ষ্য ছিল ১৯৭১ সালে সংঘটিত গুরুতর অপরাধগুলোর বিচার নিশ্চিত করা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল কী? আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল (ICT) বাংলাদেশের একটি বিশেষ আদালত, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের বিচার করার জন্য গঠিত। মূল তথ্য পূর্ণ নাম: International Crimes Tribunal (Bangladesh) সংক্ষেপ: ICT আইন: International Crimes (Tribunals) Act, 1973 কার্যক্রম শুরু: ২০১০ সাল প্রকৃতি: বিশেষ ট্রাইবুনাল (সাধারণ আদালত নয়) এই ট্রাইবুনালের এখতিয়ার শুধু ১৯৭১ সালের মুক্...

রাইট অফ লোন কী? কেন করা হয়? গ্রাহকের উপর এর প্রভাব – বিস্তারিত আলোচনা

Image
  🏦 রাইট অফ লোন কী? কেন করা হয়? গ্রাহকের উপর এর প্রভাব – বিস্তারিত আলোচনা ✦ ভূমিকা ব্যাংকিং খাতে প্রায়ই একটি শব্দ শোনা যায় — “রাইট অফ লোন” (Loan Write-Off) । অনেক গ্রাহক মনে করেন, রাইট অফ মানেই বুঝি ঋণ মাফ হয়ে গেছে। বাস্তবে বিষয়টি ঠিক তেমন নয়। এই লেখায় আমরা সহজ ভাষায় জানবো — রাইট অফ লোন কী কেন ব্যাংক লোন রাইট অফ করে রাইট অফ হলে গ্রাহকের দায় শেষ হয় কি না বাস্তব উদাহরণ ✦ রাইট অফ লোন কী? রাইট অফ লোন হলো একটি হিসাব-নিকাশ বা অ্যাকাউন্টিং প্রক্রিয়া , যার মাধ্যমে ব্যাংক এমন একটি ঋণকে তাদের ব্যালেন্স শিট থেকে সম্পদ (Asset) হিসেবে বাদ দেয় , কারণ ব্যাংক মনে করে ওই ঋণটি আদায় হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম বা প্রায় অসম্ভব । সহজভাবে বললে — 👉 অনেকদিন ধরে যে ঋণের টাকা আদায় হচ্ছে না, সেটিকে ব্যাংক হিসাবের খাতা থেকে “খারাপ ঋণ” হিসেবে বাদ দেয়। 👉 কিন্তু এতে ঋণটি মাফ হয়ে যায় না। ✦ কেন ব্যাংক লোন রাইট অফ করে? ব্যাংক সাধারণত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণে ঋণ রাইট অফ করে থাকে — ১️⃣ ব্যালেন্স শিট পরিষ্কার রাখার জন্য যেসব ঋণ দীর্ঘদিন ধরে অনাদায়ী থাকে (Non-Performing Loan / NPL), সেগুলো ব্যাংকে...