প্যারালাইজড বা প্যারালাইসিস এর কারণ এবং এর থেকে মুক্তি
যেসব কারনে স্ট্রোক জনিত প্যারালাইসিস হয়ঃ
- অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ
- অনিয়ন্ত্রিত ডায়বেটিস
- হাইপারলিপিডেমিয়া বা আথেরস্কেলরসিস
- অবেসিটি বা অধিক ওজন
- ধূমপান
- মানসিক দুশ্চিন্তা - নিদ্রাহীনতা
- এথেরএম্বলিজম বা কারডিওএম্বলিজম
- ব্রেন টিউমার
- হেড ইনজুরি বা আঘাতজনিত
- মেনিনজাইটিস
- এইচআইভি
- হেমাটোলজিক্যাল ডিস -অর্ডার
.
#স্ট্রোকের_পরে_উপসর্গসমূহ
- রোগীর এক পাশের হাত এবং পা আংশিক বা প্যারালাইজড হয়ে যায়।
- রোগী আক্রান্ত হাত ও পা নাড়াতে পারে না।
- আক্রান্ত হাত ও পায়ের ওপর ভর দিতে পারে না।
- সঠিকভাবে কথা বলতে পারে না
অনেকক্ষেত্রে মুখ বাঁকা হয়ে যায়।
- খাবার খেতে কষ্ট হয়।
- প্রস্রাব ও পায়খানায় নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
- অনেক সময় মাথা বাথা করে, বমি ভাব হয়।
- ঘুম স্বাভাবিকভাবে হয় না।
- কিছু কিছু রোগী মেমরি বা পূর্বের ইতিহাস ভুলে যায় বা পরিচিত মানুষদের চিনতে পারে না।
#আধুনিক_চিকিৎসা_ব্যবস্থা
স্ট্রোক পরবর্তী প্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাতগ্রস্থ রোগীকে আবার পূর্বের স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরিয়ে আনার জন্য ওষুধের পাশাপাশি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা হলো আধুনিক ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা। এই চিকিৎসার মাধ্যমে একজন স্ট্রোক পরবর্তী প্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীকে সম্পূর্ণ পুনর্বাসন করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে একজন বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের তত্ত্বাবধায়নে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে নিয়মিত দিনে ৩ - ৪ বার ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিতে হবে ২ -৬ মাস।
এক্ষেত্রে একজন বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপি
চিকিৎসক রোগীকে পুনর্বাসনের জন্য একটি ট্রিটমেন্ট প্ল্যান তৈরি করে থাকেন।
.
#পরামর্শঃ
১। রোগীকে পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়াতে হবে।
২। ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
৩। চর্বি জাতীয় খাদ্য পরিহার করতে হবে।
৪। ধূমপান ও তামাক জাতীয় দ্রব্য পরিহার করতে হবে।
৫। শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
৬। শেখানো মতো ব্যায়াম করতে হবে।

Comments
Post a Comment